fbpx
+8801676386302 info@backenddigital.com
ইমেইল মার্কেটিং কি ও কিভাবে ইমেইল মার্কেটিং করতে হবে?

ইমেইল মার্কেটিং কি ও কিভাবে ইমেইল মার্কেটিং করতে হবে?

ইমেইলের মাধ্যমে একসাথে হাজার হাজার মানুষকে ইমেইল করে পন্য বা সেবা সম্পর্কে মার্কেটিং করার নামই হলো ইমেইল মার্কেটিং। আমাদের দেশে এটি ততটা জনপ্রিয় না হলেও উন্নত বিশ্বে ইমেইল মার্কেটিং বিজ্ঞাপনের একটি জনপ্রীয় মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়। আমরা প্রতিদিন সকালে যেমন ফেসবুকের নোটিফিকেশন চেক করি উন্নত বিশ্বের মানুষ প্রতিদিন সকালে তাদের মেইল চেক করেন। ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হলো ইমেইলের মাধ্যমে মার্কেটিং।

কেন করবেন ইমেইল মার্কেটিং?

  • ২০২০ সালে বিশ্বের প্রায় ৩৯০ কোটি মানুষ ইমেইল ব্যবহার করেন।
  • শুধু ২০১৯ সালেই প্রতিদিন গড়ে ২৯৩ কোটি মেইল আদান প্রদান হয়েছে।
  • ইমেইল ব্যবহার করে মার্কেটিং করে গড়ে ১ ডলার খরচ করে ৪২ ডলার লাভ করা সম্ভব হয়েছে।
  • মাঝারি ব্যবসায়গুলো তাদের কাস্টমারদের ধরে রাখে ৮০% সময় ইমেইল ব্যবহার করে।
  • ওয়েলকাম ইমেইলের অপেন রেট ৮০% (নতুন কোন কাস্টমারকে স্বাগত জানানো)
  • ইমেইলের মাধ্যমে রি-মার্কেটিং করে ৬৯% সফলতা লাভ করা সম্ভব হয়েছে।

তথ্যসুত্রঃ জানতে ক্লিক করুন

ইমেইল বিপনন বা মার্কেটিং এর সুবিধা কি?

  • কার্যকর ইমেইল ক্যম্পেইন এর ব্যয় অন্য মার্কেটিং ফর্মগুলির চেয়ে অনেক কম হতে পারে এমনকি ফেসবুক মার্কেটিং হতেও কম।
  • কোনও বিজ্ঞাপনের ফি, মুদ্রণ বা মিডিয়া স্পেস ব্যয় নেই।
  • আপনার মার্কেটিং এর তালিকাটি এমন লোকদের সমন্বয়ে গঠিত হবে যারা আপনার ওয়েবসাইটে সাবস্ক্রাইব করেছে বা আপনি টার্গেট কাস্টমারদের ইমেইল যোগাড় করে তাদের মেইল করেছেন। টার্গেট কাস্টমার হওয়ার ফলে তাদের কাছে পণ্য বা সেবা বিক্রি করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
  • সুন্দর ইমেইল ট্যামপ্লেট ব্যবহার করে মার্কেটিং করলে, সেলস বাড়ার পাশাপাশি ব্র্যান্ড ভ্যালু বৃদ্ধি পায়, ওয়েবসাইটে প্রচুর ট্রাফিক (ভিজিটর) আসে। 
  • ইমেইল ক্যম্পেইন এর মাধ্যমে আপনি মেইলগুলো পারসোনালাইজড করতে পারেন। অর্থাৎ প্রত্যেক ব্যক্তির নাম উল্ল্যেখ করে মেইল করতে পারেন। সাধারণ মেইলের চেয়ে পারসোনালাইজড মেইলের ওপেন রেট অনেক বেশি।
  • গ্রাহকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগের জন্য Email Marketing এর কোন বিকল্প নেই।
  • অন্যান্য ডিজিটাল মার্কেটিং পদ্ধতিগুলোর মধ্যে Email Marketing সবচেয়ে সহজ ও সবচেয়ে সময় সাশ্রয়ী।

আপনার ব্যবসার প্রমোশন করুন ইমেইলে

  • পণ্য বা সেবা বিক্রয় : ব্যবসায়ের পণ্য বা  সেবা বিক্রয় করতে পারেন।
  • আপডেট: পণ্য বা সেবার কোন আপডেট থাকলে বা নতুন কোন পন্য আসলে কাস্টমারদের আপডেট জানাতে পারেন।
  • ইভেন্ট বা ফেস্টিভ্যাল: বিশেষ দিন উপলক্ষে (যেমন ঈদ, বইমেলা, প্রদর্শনী ইত্যাদি উপলক্ষে ব্যবসায়ের প্রমোশন করতে পারেন বা বিভিন্ন অফার দিতে পারেন।
  • কনফারমেশন: গ্রাহক অর্ডার করলে বা ক্রয় করলে তাকে ফিরতি মেইলে কনফার্ম করতে পারেন।   
  • শুভেচ্ছা বা ধন্যবাদ জ্ঞাপন: গ্রাহক সাবস্ক্রাইব করলে বা কোন সেবা গ্রহণ করলে তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে পারেন।
  • রি-মার্কেটিংঃ কোন গ্রাহক পূর্বে ইচ্ছা পোষণ করলে বা আগ্রহী হলে তাদের কাছে রি-মার্কেটিং বা পুনরায় মার্কেটিং করতে পারেন।
ইমেইল মার্কেটিং
MailChimp এর মাধ্যমে ইমেইল মার্কেটিং

ইমেইল বিপনন বা মার্কেটিং করার নিয়ম

পারসোনাল ইমেইল আইডি থেকে ইমেইল ক্যম্পেইন করা যায় না। অর্থাৎ আপনি Gmail, Yahoo, Microsoft Outlook ইত্যাদি ব্যবহার করে ইমেইল ক্যম্পেইন করতে পারবেন না।

Gmail, Yahoo, Microsoft Outlook ইত্যাদি সার্ভিসগুলো ফ্রি হওয়ার কারনে আপনি একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি ইমেইল পাঠাতে পারবেন না। যদি আপনি এসব ফ্রি সার্ভিস ব্যবহার করে ইমেইল মার্কেটিং করেন মানে হাজার হাজার মেইল পাঠান তবে আপনার একাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হতে পারে।

সেজন্য আপনার প্রয়োজন হবে বিজনেস মেইল (Business Mail) যেমন abcd@gamil.com একটি পাসসনাল মেইল কিন্ত info@backenddigital.com একটি বিজনেস ইমেইল। সুতরাং পারসনাল ইমেইল এক্ষেত্রে অর্থহীন, প্রয়োজন বিজনেস ইমেইল।

কিভাবে একসাথে হাজার হাজার কাস্টমারদের ইমেইল পাঠিয়ে মার্কেটিং করা যায়?  

ইমেইল ক্যম্পেইন করার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যারা প্রফেশনালি মার্কেটিং এর সার্ভিস দিয়ে থাকে। এখন আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব এমন ১০ টি ওয়েবসাইটের সাথে।

• Mailchimp
• Campaign Monitor
• Email Brain
• Stream Send
• Mad Mimi
• Benchmark Email
• Get Response
• Constant Contact
• Boomerang
• Graphic Mail

১। ইমেইল কালেক্ট করা

ইমেইল ক্যম্পেইন বা মার্কেটিং এর অন্যতম একটি কাজ হলো প্রচুর পরিমাণ ইমেইল কালেক্ট করা। কারণ এই ইমেইল এড্রেসগুলোতেই আপনি পণ্য সম্পর্কে আপনার বক্তব্য পাঠাবেন এবং তাকে ক্রয় করার জন্য উৎসাহিত করবেন। যত বেশি ইমেইল সংগ্রহ করা যাবে বিক্রির সম্ভাবনা তত বেশি হবে। ইমেইল এড্রেস কালেক্ট কয়েকটা পদ্ধতি আলোচনা করা হলঃ

  • আপনার ওয়েবসাইটের মাঝে সাবস্ক্রাইব অপশন যুক্ত রাখুন যেন  ইমেইল এড্রেস কালেক্ট করা যায় এবং অনুমতি নিন ভবিষ্যতে  ইমেইল পাঠানোর।
  • বিভিন্ন কনটেষ্ট আয়োজন করুন যেখানে ব্যবহারকারীদের মেইল ড্রপ করতে হয় এবং মেইলগুলো সংগ্রহে রাখুন। 
  • প্রফেশনাল ব্যক্তিদের মেইল এড্রেস কালেক্ট করার জন্যব Yelp/ LinkedIn ইত্যাদি ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন।
  • Google Search করেও মেইল এড্রেস সংগ্রহ করা যায়।
  • বিভিন্ন Directory হতেও মেইল এড্রেস সংগ্রহ করা যায়।

২। টেক্সট এবং ইমেইল ট্যামপ্লেট তৈরি করা  

যেহুতু আপনি হাজার হাজার মানুষকে একসাথে ইমেইল করবেন সুতরাং আপনার ইমেইল যেন খুব প্রফেশনাল হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাই প্রয়োজন-

  • সুন্দর ইমেইল ট্যামপ্লেট ডিজাইন করা ( শুধু ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ করেই এখন সুন্দর সুন্দর ট্যামপ্লেট বানানো যায়) । অনেক ক্ষেত্রে ফ্রি কিছু সুন্দর ট্যামপ্ল্যাট থাকে সেগুলোও ব্যবহার করা যায়।
  • ইমেইলে কি লিখবেন সেটা ঠিক করুন।
  • Call To Action (CTA) বাটন যুক্ত করুন, অর্থাৎ Buy Now/ Shop Now/ Learn More/ Download App ইত্যাদি হলো কল টু একশন বাটনের উদাহরণ।
  • রেসপন্সিভ (Responsive), ট্যামপ্লেট তৈরি করুন। অর্থাৎ আপনার ট্যামপ্লেটটি মোবাইল, ট্যাব, পিসি সব কিছুরতেই যেন প্রদর্শিত হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজনে থিমফরেস্ট থেকে পেইড রেস্পনসিভ ট্যামপ্লেট ডিজাইন কিনে নিতে পারেন।

৩। ইমেইল ডেলিভারী দেয়া

  • ইমেইল ক্যম্পেইন বা মার্কেটিং এর শেষ ধাপ  এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো কার্যকরভাবে ইমেইল ডেলিভারী করা।
  • বিজনেস ইমেইল ব্যবহার করুন ইমেইল পাঠানোর জন্য।  
  • ইমেইলের মাধ্যমে মার্কেটিং এর সেবা দেয় এমন সাইট সিলেক্ট করুন ( Mailchimp, Aweber, Get Response, Constant Contact ইত্যাদি)
  • মনে রাখবেন Mailchimp এ একবারে ২০০০ মেইল ও প্রতিমাসে ১২,০০০ মেইল ফ্রি পাঠানো যায়। তবে অন্যান্য সাইটগুলোতে ফ্রি সার্ভিস নেই। কিন্ত পেইড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ইমেইল পাঠানোর কোন লিমিট নেই।
  • সাধারণত প্রফেশনাল ইমেইল মার্কেটাররা ইমেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) সার্ভার ব্যবহার করে। ফ্রি সার্ভারের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে তাই SMTP সার্ভার ব্যবহার করাই উত্তম।
  • ইমেইল ডেলিভারি দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখবেন স্প্যামিং যেন না হয়।  

পরিশেষে বলতে চাই

ইমেইল ক্যম্পেইন বা মার্কেটিং শিখতে হলে শুধু ব্লগ পড়ে শিখা সম্ভব নয়, সেজন্য আপনি ইউটিউবে ইমেইল মার্কেটিং এর টিউটোরিয়াল দেখতে পারেন। যেকনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন। আমরা উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো, ইনশা’আল্লাহ।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?  ও কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করবো?

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ও কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করবো?

ডিজিটাল মার্কেটিং কি

ডিজিটাল মার্কেটিং হলো ডিজিটাল মিডিয়াকে কাজে লাগিয়ে মার্কেটিং বা বিপণন করা। যেমন ডিজিটাল মিডিয়ার মধ্যে রয়েছে Facebook, Google, YouTube, Twitter, LinkedIn ইত্যাদি। এসব ডিজিটাল মিডিয়া ব্যবহার করে যথাযথভাবে কাস্টমারদের কাছে পন্য বা সেবার মার্কেটিং করাকেই ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।

আপনি অবশ্যই চাইবেন কেউ Google সার্চ করে যেন আপনার ওয়াবসাইটকে প্রথম পৃষ্ঠায় দেখে কিংবা আপনার ফেসবুক বুস্ট যেন অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে, যাতে করে আপনার কোম্পানির পন্য বা সেবা অনেক বেশি বিক্রয় হয়। পাশাপাশি আপনার কোম্পানির প্রচারও সর্বাধিক মানুষের কাছে পৌঁছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এ যে বিষয়গুলো সবচাইতে বেশি ব্যবহৃত হয় সেগুলো হলো

ডিজিটাল মার্কেটিং
ডিজিটাল মার্কেটিং
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা (SEO)
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা (SMM)
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
  • ভিডিও মার্কেটিং বা ইউটিউব মার্কেটিং
  • কনটেন্ট মার্কেটিং
  • সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং বা (SEM)
  • ওয়েব এনালিটিক্স
  • CPA মার্কেটিং

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা (SEO)

কোন ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে নিয়ে আসার যে প্রক্রিয়া তাকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলে। Google, Yahoo, Bing, Ask ইত্যাদি হলো সার্চ ইঞ্জিনের উদাহরন। সুনির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়া অবলম্বন করলে সহজেই একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে নিয়ে আসা যায়। সেজন্য কোন অর্থ সার্চ ইঞ্জিনকে প্রদান করতে হয় না। তবে প্রত্যেকটি সার্চ ইঞ্জিনের কিছু এলগরিদম বা বিধিবিধান আছে। সেই এলগরিদমগুলো মেনে চললে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথমদিকে আসা সম্ভব হয়। মনে রাখতে হবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কোন শর্টকাট নেই। কখনো কখনো কয়েক মাসের প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হয়। বিস্তারিত পড়ুন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা (SEO)

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা (SMM)

বিভিন্ন অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট যেমন “Facebook“, “Twitter” “Instagram” “LinkedIn“ “Pinterest” ইত্যাদি ব্যবহার করে কোন পণ্য, সেবা বা ব্যবসায়ের মার্কেটিং করাকেই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলে। আজকের যুগে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেনা এমন লোক পাওয়া দুষ্কর। এমনকি স্কুলের বাচ্চা থেকে শুরু করে একজন বৃদ্ধ মানুষও এখন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন। তাই সব বয়সী, সব পেশার, সব স্থানের মানুষের কাছে মার্কেটিং করতে সোশ্যাল মিডিয়ার বিকল্প নেই। বিস্তারিত পড়ুন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা (SMM)

ইমেইল মার্কেটিং

ইমেইল এর মাধ্যমে গ্রাহকদেরকে পন্য বা সেবা ক্রয়ের আহ্বান জানানো বা কোন বিজ্ঞাপন প্রচার করাকেই ইমেইল মার্কেটিং বলে। আমাদের দেশে ইমেইল মার্কেটিং ততটা জনপ্রিয় না হলেও উন্নত বিশ্বে ইমেইল মার্কেটিং বিজ্ঞাপনের একটি জনপ্রীয় মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়। বিভিন্ন ইমেইল মার্কেটিং ওয়েবসাইট যেমন “Mailchimp” “Awber” “Get Respone” ইত্যাদি ব্যবহার করে ইমেইল মার্কেটিং করা হয়ে থাকে। এসব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কয়েক হাজার ইমেইল একই সাথে পাঠানো যায়। বিস্তারিত পড়ুন ইমেইল মার্কেটিং

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

বিভিন্ন কোম্পানিরা কমিশন এর বিনিময়ে বিভিন্ন অনলাইন ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া বা ব্লগে তাদের পন্য বা সেবা বিক্রয় করে দেয়াকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। যেমন “Amazon” “E-bay” “Alibaba” ইত্যাদি কোম্পানির পন্য বিক্রয় করে কমিশন অর্জন করা যায়। আর এই কমিশন নির্ভর করে বিক্রয়ের উপর। বিক্রয় না হলে কোম্পানি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারকে কোন কমিশন দিবে না। বিস্তারিত পড়ুন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

ভিডিও মার্কেটিং বা ইউটিউব মার্কেটিং

ইউটিউবের চ্যানেল বানিয়ে বিভিন্ন পন্য বা সেবা বিক্রয় করা বা ব্যবসায়ের ব্রান্ডিং করাকেই ভিডিও মার্কেটিং বা ইউটিউব মার্কেটিং বলে । YouTube এ গিয়ে যেকোনো কোম্পানির বিষয়ে সার্চ করে তাদের official product বা service এর অনেক ভিডিও পাওয়া যায়। YouTube হলো Google এর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সার্চ ইঞ্জিন, যেখানে প্রতি দিন কোটি কোটি মানুষ ভিডিও দেখতে আসেন। তাই, যেকোনো পন্যের প্রমোশন (promotion) করার জন্য ভিডিও বানিয়ে YouTube এ প্রচার করা একটি কার্যকর ভিডিও মার্কেটিং এর উদাহরণ। বিস্তারিত পড়ুন ভিডিও মার্কেটিং বা ইউটিউব মার্কেটিং

কনটেন্ট মার্কেটিং

টার্গেট অডিয়েন্সে বা কাস্টমারদের কাছে তথ্যবহুল কন্টেন্ট (হতে পারে আর্টিকেল, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি) পৌছে দেয়ার মাধ্যমে তাদেরকে ব্যবসায়ের প্রতি আকৃষ্ট করাকেই কন্টেন্ট মার্কেটিং বলে। বিজ্ঞাপন অনেক সময় কাস্টমারদের আকৃষ্ট করে না তাই কাস্টমারদের কাছে তাদের চাহিদা অনুযায়ী পন্য বা সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে আর্টিকেল লিখে কিংবা ইউটিউবে ভিডিও বানিয়েও কন্টেন্ট মার্কেটিং করা যায়। কন্টেন্ট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন অন্য কারো কন্টেন্ট কপি করা না হয়। বিস্তারিত পড়ুন কনটেন্ট মার্কেটিং

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং বা (SEM)

আপনারা হয়তো অনেক সময় লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন Google search এর মাধ্যমে কিছু সার্চ করি, তখন প্রথম ২-৩ টি সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্টের মধ্যে আপনি বিজ্ঞাপন দেখবেন। এসব সার্চ রেজাল্টের নিচে ছোট্ট করে লিখা থাকে “Ad”

Google Ads দ্বারা গুগল সার্চ ইঞ্জিন বা অন্য অনলাইন সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে বিজ্ঞাপন প্রচার করা যায়। অর্থাৎ কেউ Google কে টাকা প্রদান করেও প্রথম পেজে প্রথম দিকে কোম্পানির ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন দিতে পারে। আর এসব বিজ্ঞাপনে প্রতি ক্লিকের উপর চার্জ ধরা হয়।

ওয়েব এনালিটিক্স

আপনার ওয়েবসাইটে কতজন মানুষ ভিজিট করলো, কোন কোন অঞ্চল বা দেশের মানুষ আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করলো, কোন কোন কিওয়ার্ড দিয়ে আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক (ভিজিটর) আসলো, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কতজন ভিজিটর আসলো ইত্যাদি বিষয়ের যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে ওয়েব এনালিটিক্সে। সেজন্য আপনার ওয়েবসাইটকে অবশ্যই Google Analytics এ যুক্ত করতে হবে। ওয়েব এনালিটিক্স ব্যবহার করে আপনি আপনার ব্যবসায়ের জন্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঠিক করতে পারেন ও নতুন নতুন মার্কেটিং কৌশল নির্ধারণ করতে পারেন।

CPA মার্কেটিং

Cost Per Action (CPA) মার্কেটিং হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোন কোম্পানির প্রোডাক্ট বা সার্ভিস ক্রয়ের জন্য রেজিস্ট্রেশন বা সাইন আপ করাতে হয়। তাছাড়াও ওয়েবসাইট ভিজিট করানো, গেমস/এপ ডাউনলোড করানো ইত্যাদিও সিপিএ মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত। সিপিএ মার্কেটিং এ এফিলিয়েট এর মত পোডাক্ট বিক্রি করার প্রয়োজন হয় না। এখানে বিভিন্ন ধরনের অফার থাকে, কোন ভিজিটর যদি অফার শুধুমাত্র রেজিষ্টেশন বা সাইন আপ করে তাহলে প্রতিটি রেজিষ্টেশনের এর জন্য পেমেন্ট পাওয়া যাবে।

পরিশেষে বলি

ডিজিটাল মার্কেটিং একটি ব্যপক বিষয়, নতুনদের জন্য সবগুলো সেক্টর শেখা মোটেও উচিত নয়। আপনি এসইও জানেন বা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা ইমেইল মার্কেটিং জানেন সফল হতে যে কোন একটি সেক্টরই যথেষ্ট। আর হ্যাঁ, সফল হতে হলে এক্সপার্ট হওয়ার বিকল্প নেই। আপনার মতামত আমাদের কমেন্ট করে জানান।

আমাদের পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।